মেনু নির্বাচন করুন

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব খতিবে আযম মাওলানা ছিদ্দিক আহমদ (র.) বাংলাদেশের এক যুগশ্রেষ্ঠ আলিমে দীন, বাগ্মী ও রাজনীতিবিদ। প্রবল স্মৃতিশক্তি, অপূর্ব বাগ্মিতা ও চমকপ্রদ প্রত্যুৎপন্নমতিত্বের ফলে সমসাময়িক কালে তিনি বিখ্যাত হয়ে উঠেন। বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী মাওলানা ছিদ্দিক আহমদ (র) হাদীস, তাফসীর, ইসলামী আইন (ফিক্হ), উ"চতর যুক্তিবিদ্যা, দর্শন, আরবী, ফার্সী, উর্দু ও বাংলা ভাষা, হিকমত, বালাগাত (অলংকার শাস্ত্র), মুসলিম উত্তরাধিকার আইন (ফরায়েয), বিতর্ক প্রতিযোগিতা (মোনাযিরা), ওয়ায ও বক্তৃতায় মৌলিকত্বের ছাপ রেখে গেছেন। যে কোন জটিল বাক্যকে সহজ ও সরল ভাষায় উপস্থাপনের ক্ষেত্রে তাঁর যোগ্যতা ছিল বিস্ময়কর। বক্তব্য উপস্থাপনায় তিনি তাঁর নিজস্ব ষ্টাইল অনুসরণ করতেন। বিগত শতাব্দীর পাঁচ দশক ধরে পাক-বাংলায় খ্যাতি ও যশের মধ্যাকাশে ছিল তাঁর অবদান। বহুমুখী প্রতিভার এক অপূর্ব বিস্ময় মাওলানা ছিদ্দিক আহমদ (র.) হাদীসের শিকতায়, ধর্মীয় কুসংস্কারের বির"দ্ধে বিতর্ক মঞ্চে, রাজনীতির জটিল অঙ্গনে, পার্লামেন্টারী কর্মকান্ডে এবং দ্বীন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ছিলেন সমানভাবে সক্রিয়। খতিবে আযম মাওলানা ছিদ্দিক আহমদ (র.) সৃষ্টিধর্মী মেধা ও মননশীলতার বহুমাত্রিকতার কারণে তাঁর সমসাময়িকদের মধ্যে ছিলেন সন্দেহাতীতভাবে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। মেধার সাথে যুক্তি ও সূক্ষ্ম বিচার শক্তির সমন্বয় ঘটায় তিনি সাধারণের মধ্যে অনন্যসাধারণ ব্যক্তিতে পরিণত হন। তাঁর তিতিা ও বর্ণাঢ্য জীবন ইতিহাস আমাদের জাতীয় গৌরবের অনন্য পটভূমি। আমাদের সার্বভৌম জাতিসত্তার নির্মাণ ও জাতীয় অগ্রগতিতে তাঁর অসামান্য অবদান জাতি আজীবন কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করবে। জ্ঞান সাধনা ও কর্ম সাধনায় অবিসংবাদী দৃষ্টান্ত স্থাপন করে তিনি জাতীয় ব্যক্তিত্বের মর্যাদায় অভিষিক্ত হন। অব্যাহত জ্ঞান চর্চা, নির্লোভ কর্ম সাধনা এবং বর্ণাঢ্য বুদ্ধিব"ত্তির পরিচর্যার ক্ষেত্রের তাঁর অবদান ছিল বাংলাদেশের প্রোপটে গিরিশৃঙ্গতুল্য (ড.আ ফ ম খালিদ হোসেন, খতিবে আযম মাওলানা ছিদ্দিক আহমদ রহ: জীবন ও কর্মসাধনা, প".৭)। আলহাজ্ব ফজলুল করিম চৌধুরীঃ তিনি পহরচাঁদা গ্রামের একজন কৃতিমান সমাজ সেবক তিনি ১৯৯২ সালে পহরচাঁদা গ্রামের জন্মগ্রহন করেন। তার পিতার নাম লাল মিয়া সিকদার, তিনি এলাকায় দানবীর হিসেবে পরিচিত। সমাজ সেবা ও শিক্ষা বিস্তারে তার অবদান অনস্বীকার্য। ১৯৬৮ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তিনি অবিভক্ত হারবাং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৬০ সালে হারবাং হাইস্কুল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ছিলেন এবং ১৯৭০ সালে বরইতলী হাইস্কুল প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্নে ব্যাপক আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন। তাছাড়া পরহচাঁদা জুনিয়র হাইস্কুলকে পূর্ণাঙ্গ উচ্চ বিদ্যালয়ে রূপান্তর করার ব্যাপারে তার অগ্রণি ভূমিকা ছিল। বানিয়ারছড়া মঘনামা সড়ক গোড়াপত্তনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। সর্বোপরি ১৯৬৮ সালে চকরিয়া কলেজ প্রতিষ্ঠার প্রাক্কালে তিনি কলেজ পরিচালনা পরিষদের সদস্য হিসেবে বিশেষ অবদান রাখেন। লকনুল হোছাইন চৌধুরীঃ মৃত্যু ১৯৫৬ ইংরেজী, পিতা: মরহুম মতিউল্লাহ সিকদার। তিনি চট্টগ্রাম মুসলিম হাই স্কুল হতে এস.এস.সি পাশ করেন। তিনি চট্টগ্রামের শিল্পপতি মরহুম আব্দুল হাকিম চৌধুরীর অধিনে চাকুরী করেন। তিনি অবিভক্ত হারবাং ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি খুবই দানবীর ও ধর্মপরায়ন ব্যক্তি ছিলেন।